গায়ের রং নয়, গুণ দিয়েই বিচার করুন ‘কৃষ্ণকলি’কে













আপনার কি গায়ের রং কালো? তা হলে চাপ আছে বস্। বিয়ের বাজারে আপনি কিন্তু ব্যাক বেঞ্চার। এতটা পড়ে রাগ হচ্ছে কি? অবাক হচ্ছেন? না! অবাক হবেন না। কারণ এখনও গায়ের রঙের কারণে বিয়ে বাতিল হয়ে যায় অনেক মেয়ের। গ্রাম বা মফসস্‌ল তো বটেই, শহর কলকাতাতে এই ছবি দেখা যায় না, তা কি আপনি হলফ করে বলতে পারেন?

ঠিক এই ইস্যু নিয়েই আসছে টেলিভিশনের পর্দায় ‘কৃষ্ণকলি’। সে মেয়ের গায়ের রং কালো। কিন্তু দুরন্ত কীর্তণ গায়। বিয়ে হয়ে এমন পরিবারে গেল মেয়ে, যেখানে শাশুড়ির পছন্দ ফর্সা বউমা। এ বার কী করবে মেয়েটি?

জি বাংলায় শুরু হতে চলেছে এই নতুন ধারাবাহিক। যার মূল কনসেপ্ট, রূপ নয়, গুণই আসল। মূল চরিত্রে রয়েছে তিয়াশা রায়। এই প্রথম তাঁকে দেখবেন দর্শক। ‘‘আমার প্রথম কাজ। আমাকে সকলে শ্যামা বলে ডাকে। কাজটা করতে গিয়ে সকলের কাছ থেকেই শিখছি,’’— হেসে বললেন অভিনেত্রী।

তিয়াশার বিপরীতে রয়েছেন অভিজিত্ ভট্টাচার্য। এর আগে ‘স্ত্রী’ ধারাবাহিকে তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছিল দর্শকদের। শ্যামার শ্বশুরের চরিত্রে রয়েছেন শঙ্কর চক্রবর্তী। শাশুড়ির ভূমিকায় দেখা যাবে নিবেদিতা মুখোপাধ্যায়কে। থিয়েটারের মঞ্চ নিবেদিতার চেনা মাঠ। সিনেমার পর্দায়ও তাঁকে মাঝে মধ্যে দেখা যায়। কিন্তু টেলিভিশনের জন্য এর আগে মাত্র একটি কাজ করেছেন তিনি। ‘‘আমাদের কাজ দেখে এক জনও যদি এটা ভাবেন, যে রূপ নয়, গুণ দিয়েই বিচার করা উচিত, তা হলে বুঝব আমাদের কাজ সার্থক,’’— বললেন নিবেদিতা।

রিমঝিম মিত্র, চৈতালী চক্রবর্তী, শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়ে সমৃদ্ধ হবে এই ধারাবাহিক। চৈতালী কনফিডেন্টলি বললেন, ‘‘প্রথম সপ্তাহ থেকেই আমরা এক নম্বরে থাকব।’’ আবার শর্বরীর কথায়, ‘‘আমার চরিত্র নিয়ে এখনই বেশি কিছু বললে গল্পটা অনেকটা বলা হয়ে যাবে। আপনারা দেখতে থাকুন, আশা করি ভাল লাগবে।’’ এই জাহাজের ক্যাপ্টেন অর্থাত্ পরিচালক সুশান্ত দাস বললেন, ‘‘নিখাদ প্রেমের গল্প কৃষ্ণকলি। যাঁরা কাজ করছেন, প্রত্যেকেই ভাল অভিনেতা।’’

সব মিলিয়ে ‘কৃষ্ণকলি’র জন্য অপেক্ষার পারদ চড়ছে দর্শক মহলে।