বিয়ে না হতেই রাজ বড় ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত!













ধুমধুামের সঙ্গে ঘরে বউ নিয়ে এসেছে রাজ। কিন্তু বিয়ের পরেই শুরু হয়েছে রাজের জীবনে অশান্তি। একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সব প্রজেক্ট। ইতিমধ্যেই বাতিল হয়ে গিয়েছে পরিচালকের ‘টং লিং’। এদিকে ‘সিরাজউদ্দৌলা’ কবে হবে তার ঠিক নেই। এখন আবার শোনা যাচ্ছে ‘কাটমুণ্ডু টু কম্বোডিয়া’ও আর হচ্ছে না। সব মিলিয়ে এখন মাঝ সমুদ্রে খাবি খাচ্ছেন নতুন বর।

কিন্তু টিজার, ফাস্টলুকের পর, কেন বন্ধ হয়ে গেল ‘কাটমুণ্ডু টু কম্বোডিয়া’-এর শ্যুটিং! তাই নিয়ে চলছে টলিপাড়ায় জলঘোলা। শোনা যাচ্ছে, যীশু নাকি ব্যাকস্টেপ করেছেন ছবিটি থেকে। কারণ এই মুহূর্তে তাঁর হাতে রয়েছে প্রচুর ছবির অফার। তাছাড়া রাজের সিনেমার চিত্রনাট্যও নাকি পছন্দ হচ্ছে না অভিনেতার।

তবে যে শুধু যীশু ‘কাটমুণ্ডু’ প্রজেক্ট থেকে সরে এসেছেন তা নয়! সিনেমার অন্য হিরো সোহমও পিছু হটেছেন। সূত্রের খবর, সোহমের চরিত্রটি নাকি তেমন জোড়াল নয়। এসবের সঙ্গে অন্য একটি কথাও শোনা যাচ্ছে। যীশু থেকে সোহম সবার নাকি রুদ্রনীলের চরিত্রটি বেশি ভালো লেগেছে!

অন্যদিকে বেঁকে বসেছেন ছবির প্রযোজক সংস্থাও। তাঁদের বক্তব্য, কম্বোডিয়ায় শুটিং করতে গেলে বাজেট অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। তাই অন্য জায়গার কথা ভাবছে তাঁরা। সুতরাং এর পর যদি রাজ নতুন চিত্রনাট্য তৈরি করেন, সেখানে কম্বোডিয়া যাত্রা হবে কিনা সন্দেহ আছে! তবে রাজের ‘কাটমুণ্ডু টু কম্বোডিয়া’ এখন বিশ বাঁও জলে তাঁর নিশ্চিত।

তবে সেসব ছাড়িয়ে টলিপাড়া কিন্তু এখন অন্য গল্পে মশগুল। নিন্দুকেরা বলছেন, রাজের জন্য পয়া নন শুভশ্রী। ঘরে আসতেই হওয়া কাজ হাতছাড়া হয়ে গেল পরিচালকের। তবে লোকের কথায় কিছু আসে যায় না পরিচালকের। আপাতত নতুন চিত্রনাট্য নিয়ে কাজ শুরু করেছেন তিনি।